1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. satvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
  •                          

হাওরাঞ্চলের কথা ইপেপার

ব্রেকিং নিউজ
সহিংসতা করে কেউ পার পাবে না : ইসি আলমগীর তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ কাল গাজায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে ডয়েচে ভেলেকে তথ্যচিত্র তৈরির আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী-সন্তানসহ বেনজীরকে দুদকে তলব ক্রিকেট: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল আনোয়ারুল হত্যা : কলকাতার ওই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে মাংসের টুকরা উদ্ধার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইজন সহকারী প্রভোষ্ট নিয়োগ রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কাজ করছে— এমপি রুমা চক্রবর্তী সিলেট নাসিং হোস্টেল যেন মিনি কারাগার! পাসপোর্ট অফিসে কোন ধরনের হয়রানী সহ্য করা হবে না— যুগ্ম সচিব নাসরিন জাহান

৭ জেলাসহ ১৫৯টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা

Reporter Name
  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: দেশের ৭টি জেলার সব উপজেলাসহ মোট ১৫৯টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বুধবার (২২ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন। আজ প্রধানমন্ত্রী ঘর হস্তান্তরের মাধ্যমে মাদারীপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, রাজশাহী, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সব উপজেলা ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করলেন। এরআগে পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীন হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আজকের গৃহ হস্তান্তরের পর দেশে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত জেলার সংখ্যা ৯টি এবং উপজেলার সংখ্যা হবে ২১১টি।

ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি তিনটি উপজেলায় উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। উপজেলা তিনটি হলো গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাঁও ইউনিয়নের নওয়াগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার উত্তরপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্প।

গৃহহীনদের সরকার সারাদেশে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে দুই শতক জমিসহ ঘর করে দিচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬৩ হাজার ৯৯৯টি, দ্বিতীয় পর্যায়ে একই বছরের ২০ জুন ৫৩ হাজার ৩৩০টি, তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম ধাপে গত বছরের ২৬ এপ্রিল ৩২ হাজার ৯০৪টি, দ্বিতীয় ধাপে ২১ জুলাই ২৬ হাজার ২২৯টি গৃহ হস্তান্তর করা হয়।

প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে হস্তান্তর করা গৃহের সংখ্যা দুই লাখ ১৫ হাজার ৮২৭টি। চতুর্থ পর্যায়ে অবশিষ্ট গৃহের সংখ্যা ২২ হাজার ছয়টি। চতুর্থ পর্যায় পর্যন্ত বরাদ্দকৃত গৃহের সংখ্যা দুই লাখ ৩৭ হাজার ৮৩১টি। চতুর্থ পর্যায়ে চরাঞ্চলে বরাদ্দকৃত বিশেষ ডিজাইনের গৃহের সংখ্যা এক হাজার ৩৭৩টি ও পার্বত্য অঞ্চলে বিশেষ ডিজাইনের মাচাং ঘর ৬৩৪টি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে দেশে প্রথম ভূমিহীনদের পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমান লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রামে একই বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে পুনরায় জমি ও ঘরের মালিকানা দিয়ে বঙ্গবন্ধুর অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেন। এ প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট সাত লাখ ৭১ হাজার ৩০১টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। পরিবারপ্রতি ৫ জন হিসেবে এ কার্যক্রমের উপকারভোগীর সংখ্যা ৩৮ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৫ জন।

এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প সরাসরি পুনর্বাসন করেছে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯৭টি পরিবারকে। ভূমি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সমান কার্যক্রমের আওতায় পুনর্বাসিত হয়েছে আরও দুই লাখ ১৬ হাজার ৭০৪টি পরিবার।

২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষে দেশের কোনো মানুষ ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না বলে ঘোষণা করেন।

ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে উদ্যোগটা নিয়েছি বাংলাদেশে একটা মানুষও গৃহহীন থাকবে না। বিশেষ করে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করেছি ২০২০ সালে, তখন আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল এই দেশের গৃহহীন মানুষকে ঘরবাড়ি করে দেব। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না।

অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্তে আরও যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়াসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন