1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. stvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
যাদুকাটা নদীতে বালি পাথর উত্তোলনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শ্রমিকরা হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেফতার না পলাতক? মামুনুলকে নিয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস, ধর্মপাশায় ছাত্রলীগ নেতা লাঞ্চিতের ঘটনায় ইউনিয়ন আ’লীগ সম্পাদক গ্রেফতার, ওসিসহ ৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড দক্ষিন সুনামগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচা ভাতিজা খুন, আহত ২ সুনামগঞ্জের ছাতকে সুরমা ব্রিজের এ্যাংগেল পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু ছাত্রলীগ নেতাকে লাঞ্চিত করার অভিযোগে ধর্মপাশা থানার দুই পুলিশ ক্লোজ সুনামগঞ্জে দোকান খোলা রাখার দাবীতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ হাওর বাঁচাও আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষনা: সভাপতি সুফিয়ান,সম্পাদক বিজন নির্বাচিত স্বাধীনতার বিরোধী শক্তিরাই এ হামলা করেছে- ধর্মপ্রতিমন্ত্রী সুনামগঞ্জে ডাবল খুনের দায়ে ২জনকে মৃত্যুদন্ড ও ১৩জনকে যাবৎজীবন দিয়েছে আদালত

১১ এপ্রিল পর্যন্ত মালিকদের কারখানা বন্ধের অনুরোধ রুবানা হকের

Reporter Name
  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
  • দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।
  • শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে এক অডিও বার্তায় তিনি এ অনুরোধ জানান। খানিক আগেই রুবানা হক এক বার্তায় বলেছিলেন, কাজের অর্ডার থাকলে পোশাক কারখানা খোলা রাখতে পারবেন মালিকরা। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। এ ঘোষণার সঙ্গে পোশাক কারখানাগুলোও ছুটি দেয়া হয়। কিন্তু সরকার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত করলেও এবার কারখানা বন্ধের সময়সীমা বাড়ানোর কোনো ঘোষণা আসেনি। তাই ৫ এপ্রিল (রোববার) থেকে কারখানাগুলো খুলবে, এমন নির্দেশনায় ঢাকা অভিমুখে স্রোত নামে মানুষের।

    সংক্রমণ রোধে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন পর্যায় কাজ করলেও এভাবে শ্রমিকদের ঢাকামুখী স্রোত সমালোচনার সৃষ্টি করে।

    এর মধ্যে দেয়া বার্তায় বিজিএমইএ সভাপতি ‘সার্বিক পরিস্থিতি’ বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

    তার আগের বার্তায় তিনি বলেন, করোনা মহামারির এ সময়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরে থেকে একটি নির্দেশনা দিয়েছে, সেখানে স্পষ্ট লেখা আছে যেসব রফতানিমুখী শিল্পে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা করোনার সরঞ্জামাদি, মাস্ক চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামসহ (পিপিই) করোনা প্রতিরোধী সামগ্রী তৈরি করছে এমন কারখানাগুলো তাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে খোলা রাখতে পরবে। তাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব কিভাবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দেব। দ্বিতীয় হচ্ছে মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনো অনীহা থাকা যাবে না। মার্চ মাসের বেতন শ্রমিকরা পাবেনই এটা নিশ্চিত করতে চাই।

    তিনি বলেন, এ সময়ে শ্রমিক কোনো কারণে যদি কারখানায় উপস্থিত না থাকেন তাহলে মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না। এটি আমাদের বিজিএমইএ’র প্রত্যেকটি সদস্যের কাছে অনুরোধ করবো। আমি আশা করি পোশাক মালিকরা এটি শুনবেন।

    এর আগে গত ২৬ মার্চ এক বার্তায় বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক বলেছিলেন, করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ সময় জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় তৈরি পোশাক কারখানাগুলোও বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে বিজিএম

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন