1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. stvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বন্যার্থদের পাশে সিলেট বিল্ডাস ও শামীমাবাদ যুব সমাজ দি ডেইলী বাংলাদেশ টুডে পরিবারের অর্থায়নে ছাতকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ফতেপুরে বন্যার্তদের মাঝে বিশ্বাস বিল্ডার্স লিমিটেডের খাবার ও কাপড় বিতরণ বন্যায় কবলিত মানুষের পাশে কর্ম সেবা সংস্থা কোস্ট গার্ডের সহায়তায় নতুন জীবন পেল আলীপুরের গৃহবধু হোসনে আরা সুনামগঞ্জে বন্যার্তদের মাঝে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর ত্রাণ বিতরণ সুনামগঞ্জে ত্রাণ বিতরণ করছেন ঢাকা দক্ষিনের আ’লীগ নেতা শেখ মো: আজাহার বন্যায় মোকাবেলায় জনপ্রতিনিধি গ্রামবাসী, প্রশাসন ও পুলিশ একসাথে কাজ করতে হবে- বেনজির আহমদ ভয়াবহ বন্যায় র‌্যাব মানুষের পাশে ছিল পাশে থাকবে- ডিজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বন্যার্ত মানুষের জন্য যা করনীয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাই করছে- লে.জে.সফিউদ্দিন আহমদ

সুনামগঞ্জে দোকান খোলা রাখার দাবীতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

Reporter Name
  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি:

করোনার সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি নিষেধের প্রথম দিন চলছে লকডাউন। এর মধ্যে দোকানপাঠ খোলা রাখার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে সুনামগঞ্জের জাউয়া বাজারের ব্যবসায়ী, চালক, পথচারী, সাধারন মানুষসহ বিভিন্ন শ্রমজীবি মানুষ।

সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ছাতক উপজেলার বাজারের বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। ব্যবসায়ীদের দাবী স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখার জন্য সরকারের অনুমতি দিতে হবে। এ সময় মিছিল চলাকালে পুলিশের ভ্যান ও ভ্রাম্যমান আদালতের গাড়ী আটকা পড়ে যায়। পরে ব্যবসায়ী নেতৃত্ববৃন্দের সহযোগিতায় ছাড়া পায়। এ সময় লকডাউন মানি না মানব না বলে শ্লোগান দিতে থাকে শ্রমিক কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরা। রিক্সা চালক জহিরুল জানান, সরকার শুধু শুধু লক ডাউন দিয়েছে। আমাদের ঘরে খাবার নাই, ছেলে মেয়েরা কান্না করছে। যারা লক ডাউন দিয়েছে তাদের ঘরে কখনও খাবারের অভাব হবে না। তারা এসি রোমে বসে দেশ চালায়। আমাদের জনগনের প্রতি কোন দায় দায়িত্ব নাই। আমরা এ ধরনের লক ডাউন চাই না। শান্তিমতে রিক্সা চালাতে চাই।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রুমান জানান, সরকার ইচ্ছে করে জনগণকে কষ্ঠ দিচ্ছে। করোনায় আমাদের এলাকায় এখন পর্যন্ত কোন লোক মারা যায়নি। আমাদের আশপাশে কোন লোক করোনায় আক্রান্তও হয়নি। সরকার বিরোধী আন্দোলনকে ধমাতেই এই লকডাউন ঘোষনা করেছে। আমরা লক ডাউন মানি না।আর লক ডাউন দিতে চাইলে আমাদের ঘরে খাবার পৌছাতে হবে।

জাউয়াবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আছাদুর রহমান জানান, গত বছরের লকডাউনে দোকানপাট বন্ধ থাকায় অনেক ব্যবসায়ীদের ঘরে খাদ্য ছিলো না এবং দেনা করে সংসার চালাতে খুব কষ্ট হয়েছে। সেই দেনার টাকাও এখনও কেউ পরিশোধ করতে পারেন নি। লকডাউনের ফলে এখন আবার দোকানপাট বন্ধ থাকলে আমাদের ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হবে। সে জন্য সবাই আন্দোলন করেছে। সোমবার ভোর ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত জারিকৃত লকডাউনের প্রজ্ঞাপনে ১১টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়, শপিং মলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে। তবে দোকান, পাইকারি ও খুচরা পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে কেনাবেচা করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সর্বাবস্থায় কর্মচারীদের মধ্যে আবশ্যিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং কোনো ক্রেতা সশরীর যেতে পারবে না।###

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন