1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. stvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

সুনামগঞ্জবাসীর একমাত্র বোরো ফসল রক্ষায় হাওরের বাধঁ দ্রুত নির্মানের দাবীতে হাওর বাচাঁও আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি:

গেল বছরের ১৫ ডিসেম্বর  সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলার ৭০১টি পিআইসি’র মাধ্যমে ১১৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫২০ কি:মি: বাধ নির্মান মেরামত ও সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে স্থানীয় সুবিধাভোগীদের সর্ম্পৃক্ততায় বাধ নির্মানের কাজ শুরু করার কথা থাকলেও দীর্ঘ এক মাস পেরিয়ে গেলেও কাজ শুরু না করায় স্থানীয় কৃষকদের শঙ্খার কথা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছে হাওর বাচাঁও আন্দোলন নামের সামাজিক সংগঠন। সোমবার দুপুরে স্থানীয় দৈনিক সুনামকণ্ঠ পত্রিকার অফিসের কনফারেন্স রোমে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও কবি ইয়াকুব বখত বহলুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাওর বাচাঁও আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক বিজন সেন রায়, সহ-সভাপতি মোদাচ্ছির আলম সুবল, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সালেহীন চৌধুরী শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক একে কুদরত পাশাসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এ সময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও পাউবোর কর্মকর্তারা অপ্রয়োজনীয় বাধ নির্মান, প্রয়োজনীয় বরাদ্দের চেয়ে প্রকল্পে তিনগুণ চারগুণ বেশী দেখিয়ে প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে স্থানীয় দালাল টাউট ও রাজনৈতিক কর্মীদের সমন্বয়ে পিআইসি গঠন করে ফসল রক্ষা বাধ নির্মান ও সংস্কারের নামে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাটের পায়তারা করছেন। আর সে কারণেই নির্ধারিত সময়ে বাধের কাজ শুরু না করে শেষ মুহুর্তে তরিগরির মাধ্যমে দায়সারাভাবে সরকারী অর্থ লুপাটের অপচেষ্টা করে। দ্রততম সময়ের মধ্যে হাওরের ফসল রক্ষা বাধের কাজ শুরু না করলে হাওর বাচাঁও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন বলেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন। বক্তারা আরও বলেন, পিআইসি কমিটির অনুমোদন পেতে সংশ্লিষ্ট দালালের মাধ্যমে প্রত্যেকটি পিআইসি’র জন্য অগ্রিম ২-৩ লাখ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। টাকার বিনিময়ে পিআইসি কমিটি অনুমোদন নেয়ার কারনেই হাওরের ফসল রক্ষা বাধ নির্মানে অনিয়ম দুর্নীতি করতে বাধ্য হয় পিআইসি’র সদস্যরা। প্রতি বছরই নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে শেষ মুর্হুতে তরিগরি করে হাওরের ফসল রক্ষা বাধ নির্মান ও সংস্কার করার কারণে অকালে হাওরের ফসল বিনষ্ট হয়ে লাখো কৃষকরা মাথায় হাত পড়ে। ২০১৭ সালে সঠিক সময়ে হাওরের ফসল রক্ষা বাধ নির্মান না করায় আগাম বন্যার কবলে পড়ে হাওরাঞ্চলের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে না পেরে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখ পড়েছিল এবং আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সময়ে ঠিকাদারী প্রথা বিলুপ্ত করে স্থানীয় সুবিধাভোগীদের সমন্বয়ে ফসল রক্ষা বাধ নির্মানের নীতিমালা তৈরী করা হয়। বর্তমানে হাওরের ফসল রক্ষা বাধ নির্মানে নীতিমালা উপেক্ষা করে স্থানীয় টাউট বাটপার ভুমিহীন, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মীদের দিয়ে পিআইসি গঠন করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা তাদের উৎপাদিত সোনালী ফসল রক্ষা নিয়ে শঙ্খিত দিন যাপন করছেন। এখনই উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ হাওরের ফসল রক্ষা বাধ নির্মানে সঠিক তদারকি না করলেও  অনিয়ম দুর্নীতির কারণে আগাম বন্যায় হাওরের ফসলের মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ার সম্ভাবনার অভিমত প্রকাশ করেন বক্তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন