1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. satvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
  •                          

হাওরাঞ্চলের কথা ইপেপার

ব্রেকিং নিউজ
সহিংসতা করে কেউ পার পাবে না : ইসি আলমগীর তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ কাল গাজায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে ডয়েচে ভেলেকে তথ্যচিত্র তৈরির আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী-সন্তানসহ বেনজীরকে দুদকে তলব ক্রিকেট: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল আনোয়ারুল হত্যা : কলকাতার ওই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে মাংসের টুকরা উদ্ধার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইজন সহকারী প্রভোষ্ট নিয়োগ রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কাজ করছে— এমপি রুমা চক্রবর্তী সিলেট নাসিং হোস্টেল যেন মিনি কারাগার! পাসপোর্ট অফিসে কোন ধরনের হয়রানী সহ্য করা হবে না— যুগ্ম সচিব নাসরিন জাহান

সিসিক নির্বাচন: বাবুলের ইশতিহারে আধুনিক সিলেট গড়ার অঙ্গীকার

Reporter Name
  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ১৮ জুন, ২০২৩
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

হাওরাঞ্চলের কথা :: রোববার বিকেলে নগরের কুমারপাড়ায় নিজের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে তিনি এই ইশতেহার ঘোষণা করেন। এ সময় তার সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিত হলে সিলেটকে নাগরিকবান্ধব, শিল্পবান্ধব, যানজটমুক্ত, পরিবেশবান্ধব, জলাবদ্ধতামুক্ত, সুপরিকল্পিত আবাসনের নগর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়ে ইশতেহারে বাবুল উল্লেখ করেন, সিলেট সিটি করপোরেশনকে সর্বজনিন এবং দায়িত্বশীল একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলবো। নগরের উন্নয়নে করপোরেশনের সঙ্গে নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। নগর উন্নয়নে স্থায়ী কমিটিগুলোর সঙ্গে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ নাগরিকদের সম্পৃক্ত করা হবে। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে নগর ভবনকে আধুনিক ও ঐতিহ্যের মিশেলে একটি দৃষ্টিনন্দন নগর ভবনে রূপান্তর করব।

নির্বাচিত হলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং ওয়ার্ডের বিশিষ্ট নাগরিকদের সমন্বয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়ন ও সন্ত্রাসবিরোধী নাগরিক কমিটি গঠন করা হবে। যে কমিটি এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিতে কাজ করবে বলে জানান তিনি।

নগরের সেবামূলক খাতগুলোকে আরও শক্তিশালী করা হবে জানিয়ে ইশতেহারে বাবুল বলেন, এজন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হবে। যদিও একজন মেয়র ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন কিন্তু তাকে অন্তত সামনের ১০০ বছর মাথায় রেখে পরিকল্পনা নিতে হয়। যাতে নগরবাসী কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে পারেন। আমি সেটাই করতে চাই। সিলেট একটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভবন নির্মাণের অনুমতি প্রদানে যথাযথভাবে তৈরি করা হচ্ছে কি-না সেট কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হবে।

প্রথমেই নতুন ১৫টি ওয়ার্ডের পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নগরের বর্ধিত এলাকায় পানি ও বিদ্যুতের সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিদ্যমান রাস্তাঘাটের সংস্কার ও নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হবে।

নগরের পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে সিলেট ওয়াসা গঠন করা প্রয়োজন বলে জানান জাতীয় পার্টির এই প্রার্থী।

এছাড়া একাধিক কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে যে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করা, বন্ধ থাকা পৌর পাঠাগার চালু ও নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাঠাগার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া, কর্মজীবী নারীদের সন্তানদের দেখাশুনার জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার চালু, নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নারীদের জন্য ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টারের ব্যবস্থা করা ও নারীদের জন্য স্বল্প খরচে থাকার সুবিধার্থে হোস্টেলের ব্যবস্থা করা হবে ইশতেহারে উল্লেখ করেন বাবুল।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরার জন্য জাদুঘর ও আর্ট গ্যালারি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একটি সুপরিকল্পিত সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স গড়ে তুলব। যেখানে নাট্যমঞ্চ, সিনেপ্লেক্সসহ সাংস্কৃতিক চর্চার সবধরণের সুবিধা থাকবে। পাশাপাশি পর্যটনের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সিলেটে খেলার মাঠের সল্পতার কথা উল্লেখ করে নির্বাচিত হলে করপোরেশনের উদ্যোগে খেলার মাঠ তৈরি এবং ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে খেলাধুলার প্রসার ঘটাতে ব্যবস্থা নেযা এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে নগরকে সবুজে আচ্ছাদিত করা হবে বলে জানান তিনি।

নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার আগে নজরুল ইসলাম বাবুল বলেন, একটি পরিকল্পিত নগরের ক্যানভাস অনেক বড়। শুধু রাস্তাঘাট আর ড্রেন করলেই নগরটি পরিকল্পিত হয়ে উঠে না। সিলেট নগরের এখনও অনেক সমস্যা রয়েছে। যানজট, জলাবদ্ধতা ছাড়াও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে সিটি করপোরেশনের আয়তন অনেক বেড়েছে। ২৭টি ওয়ার্ড থেকে হয়েছে ৪২টি ওয়ার্ড। বর্ধিত এলাকায় অনেক সমস্যা রয়েছে। অনেক পিছিয়ে রয়েছে নতুন এলাকাগুলো। সুতরাং এই নগরকে যে বা যারা ভালোভাবে জানে, বুঝে তাঁর হাতেই নগর উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া উচিত।

বাবুল বলেন, ‘উড়ে এসে জুড়ে বসা’ কেউ এই নগরের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। যে নগরের অলিগলিই চেনে না তার পক্ষে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ কতটুকু সম্ভব এই বিচারের ভার আপনাদের ওপর ছেড়ে দিলাম। আমি এই শহরেরই সন্তান। সুরমার এপার-ওপার দুপারই আমার চেনা। এই নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে আমার পদচারণা রয়েছে। তাই নগরবাসীর কাছে আমার আহ্বান আপনারা যেন সবকিছু বিবেচনায় রেখে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন।

এসময় বাবুল বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করলে সিলেটকে একটি আধুনিক মহানগর হিসেবে গড়ে তুলব। নগরবাসীর নিরাপত্তা, যোগাযোগের উপযোগী নতুন নতুন রাস্তা, ফুটপাত নির্মাণসহ যানজট নিরসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেবো।

এরআগে শনিবার সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। ইমতেহারে তিনি গ্রিন-ক্লিন-স্মার্ট সিলেট গড়ার অঙ্গীকার করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন