1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. stvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মাণকাজে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়বে না ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী

হাওরাঞ্চল ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ২ মার্চ, ২০২২
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন, রাশিয়ার সহায়তায় চলমান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মাণকাজে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়বে না ।

আজ বুধবার (০২ মার্চ) এনইসি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা (ভার্চ্যুয়াল) অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর শেরে বাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভা শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, রূপপুরে যে প্ল্যান্টটা আমরা করছি, সেটা সম্পূর্ণভাবে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি। দ্বিপাক্ষিক ওই সেন্সে—যন্ত্রপাতি, জ্ঞান, টাকা সবই রাশিয়ার। এর সঙ্গে তৃতীয় কোনো পক্ষ জড়িত নয়। আসা-যাওয়া, মালামাল, চলাচল, এতদিন যখন কোভিডের সময় হয়েছে, কোভিডের সময়টা যুদ্ধের চেয়ে কম ছিল না, সবকিছু বন্ধ ছিল পৃথিবীর, রাশিয়ানরা প্লেন উড়িয়ে যন্ত্রপাতি, লোক-লস্কর নিয়ে এসেছে, সুতরাং এখনো না আসতে পারার কোনো কারণ নেই।

মন্ত্রী বলেন, আমার জানা মতে, বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় খোঁজ-খবর রাখে। ওই ধরনের কোনো হাওয়া এখনো লাগে নাই। সুতরাং যন্ত্রপাতি, লোক, অর্থ—তিনটাই সিঙ্গেল চ্যানেল, তৃতীয় কোনো পক্ষ নেই। সুতরাং সরাসরী কোনো প্রভাব পড়বে না। যদি যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি হয়, তখন কোনো পার্শ্বপ্রভাব পড়বে কিনা সেটা পণ্ডিত ব্যক্তিরা গবেষণা করে দেখবেন। আমরা সচেতন নাগরিকরা খোঁজখবর রাখবো, দেখবো।

বাংলাদেশের অবস্থান যুদ্ধের বিরুদ্ধে জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ বা রাশিয়ার যুদ্ধ, আমরা যুদ্ধের বিরুদ্ধে। সার্বিকভাবে প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার বলেছেন, আমরা শান্তিকামী দেশ, শান্তি চাই। যাই হোক তারা যুদ্ধ করছে। উভয় রাষ্ট্রই আমাদের বন্ধু। ইউক্রেনও আমাদের বন্ধু, আর রাশিয়া তো গভীর, দীর্ঘদিনের বন্ধু।

রাশিয়ার সহায়তায় বাংলাদেশের পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে জন্য ২০১৫ সালে রাশিয়ার সঙ্গে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলারের (১ লাখ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা) ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার।

এক হাজার ৬২ একর জমির ওপর দুই ইউনিটের এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কাজ করছেন প্রায় ২৫ হাজার দেশি-বিদেশি শ্রমিক, প্রকৌশলী, বিশেষজ্ঞ।

২০২৩ সালের এপ্রিলে রূপপুরের ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন