1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. satvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
  •                          

হাওরাঞ্চলের কথা ইপেপার

ব্রেকিং নিউজ
সিলেট নাসিং হোস্টেল যেন মিনি কারাগার! পাসপোর্ট অফিসে কোন ধরনের হয়রানী সহ্য করা হবে না— যুগ্ম সচিব নাসরিন জাহান সিলেট মহানগরীর উপশহরে হাতুড়ে ডাক্তারের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগে মামলা রুজু জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে— কৃষি মন্ত্রী সিলেটের সাপ্তাহিক বাংলার বারুদ পত্রিকার সাবেক প্রধান সম্পাদক ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি জহিরিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রুহুম আমিন ছিলেন জ্ঞানের সাগর— স্মরণ সভায় বক্তারা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নানান অনিয়মের দায়ে আইসক্রিম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা তাহিরপুরে কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ১৬ জন আহত, দ্রত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী প্রকৌশলী হতে চায় শাহরিয়ার তায়্যিব টানা ৩য় বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ওসি হারুনূর রশিদ চৌধুরী

বড়লেখায় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড

Reporter Name
  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজ :: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় এক আইনজীবীর করা মামলায় স্বামী-স্ত্রীকে ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একইসঙ্গে তাদের ৭ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায়ও দিয়েছেন।

সম্প্রতি বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জিয়াউল হক এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কুড়িগ্রাম পৌরসভার সরদারপাড়া এলাকার সৈয়দ মোল্লার ছেলে রিপন মোল্লা ও তার স্ত্রী জেলি খাতুন।

বুধবার বিকেলে বাদি পক্ষের আইনজীবী আফজাল হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের মামলায় পৃথক দুটি ধারায় আদালত রিপন মোল্লা ও তার স্ত্রী জেলি খাতুনকে ৬ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একইসঙ্গে তাদের ৭ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায়ও দেন আদালত। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে ছিলেন না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ১২ অক্টোবর বড়লেখা পৌরসভার বারইগ্রামের বাসিন্দা বড়লেখা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী গোপাল দত্তের বাসায় জীপসাম বক্স ও লাইটিংসহ যাবতীয় ডিজাইনের কাজ ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় সম্পাদনের চুক্তি করেন রিপন মোল্লা। চুক্তি অনুয়ায়ী অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা রিপন মোল্লার স্ত্রী জলি খাতুন গ্রহণ করেন। কিন্তু পরে তারা কোনো কাজ না করে গা ঢাকা দেন। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর টাকা ফেরত না পেয়ে আইনজীবী গোপাল দত্ত ওই বছরের ১২ ডিসেম্বর আসামিদের আইনগত বিজ্ঞপ্তি পাঠান। এতে কোনো সাড়া না পাওয়ায় গোপাল দত্ত ২০১৮ সালে রিপন মোল্লা ও তার স্ত্রী জেলি খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে (সিআর-৩০/১৮(বড়) মামলা করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন