1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. stvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ধর্মপাশায় ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ সুরমা নদীতে সেতু নির্মানসহ বিভিন্ন দাবীতে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ চাকুরী করেন বাংলাদেশে ৫ বছর ধরে বসবাস করেন আমেরিকায় প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন সুলতানা উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে মিলেমিশে থাকতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী  শান্তিগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্ত করলেন পরিকল্পনামন্ত্রী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় পরিকল্পনামন্ত্রী, জনগণই আমাদের সব  রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের সাথে অপরাজিতার মতবিনিময় তাহিরপুরে শহীদ সিরাজ লেকে পানিতে ডুবে পর্যটক নিহত  সুনামগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের গঠতনন্ত্র অনুমোদিত তাহিরপুরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টিনন্দন পর্যটন কেন্দ্র নির্মান করা হবে- সচিব মোকাম্মেল

ধোপাজান চলতি নদীতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের দায়ে ৭ বাল্কহেড মালিককে পৌনে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলাধীন ধোপাজান চলতি নদীতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগে সদর থানা পুলিশ কর্তৃক আটককৃত ৭টি বাল্কহেডের মালিককে পৌনে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার বালি ভর্তি ৭টি বাল্কহেডের মালিককে জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আসিফ আল জিনাত ও তার সহকর্মী। জানা যায়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে অবৈধভাবে বালি পাথর উত্তোলনকারীরা সুযোগ বুঝে ধোপাজান চলতি নদীর পার কেটে বালি সংগ্রহ করার খবর পেয়ে সদর থানার ওসি মো: শহিদুর রহমানের নির্দেশে এসআই জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার ও এসআই জাহাঙ্গীর আলম অভিযান চালিয়ে বালি ভর্তি ৭টি বাল্কহেড নৌকা জব্দ করে। জব্দের সাথে সাথে জেলা প্রশাসককে অবহিত করলে ম্যাজিষ্ট্রেট স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারেনি প্রশাসন। এ নিয়ে স্থানীয় একজন সাংবাদিকদের সাথে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয় এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালে লুকোচুরির সংবাদও প্রকাশিত হয়। এ নিয়ে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সিনিয়র সাংবাদিকদের সহায়তা বিষয়টির নিস্পত্তি হয়।

সুত্র আরও জানায়, গত ১৫ মে রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সহিদুর রহমানের নির্দেশে এসআই জিন্নাতুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে  বালি  ভর্তি ৭টি বাল্কহেড নৌকা আটক করেন। আটককৃত নৌকার মালিকদের তথ্য সংগ্রহ করতে চেষ্টা চালায় এসআই জিন্নাতুল ইসলাম। নৌকার মালিকানা নিশ্চিত হয়ে  ১৭ মে সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আল জিনাত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের নিকট ঐ ৭টি নৌকা হস্তান্তর করে পুলিশ। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আসিফ আল জিনাত ৫টি নৌকা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেহেদী হাসান ২টি নৌকার মালিককে অর্থদন্ড প্রদান করেন। প্রত্যেকটি নৌকার মালিককে ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। ৭টি নৌকা থেকে পৌনে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে সরকারী কোষাগারে জমা দেয়া হয়।

সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সহিদুর রহমান জানান, ধোপাজান চলতি নদীতে গত ১৫ মে অভিযান চালিয়ে বালি ভর্তি ৭টি নৌকা জব্দ করে শহর পুলিশ ফাঁড়ির সম্মুখে সুরমা নদীতে রাখা হয় এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করা হয়। ঈদের ছুটি থাকায় ম্যাজিষ্ট্রেট স্বল্পতার কারণে সাথে সাথে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। নৌকা আটকের পর নৌকার মালিকানা যাচাই করতে না পারায় এক সাংবাদিককে সঠিক তথ্য দিতে পারিনি। ফলে ঐ সাংবাদিক ক্ষুদ্ধ হয়ে আটককৃত বাল্কহেড নিয়ে লুকোচুরির শিরোনামে একটি অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন। যা সাংবাদিকতার নীতির পরিপন্থি। সোমবার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এসে নৌকার মালিকদের অর্থদন্ড প্রদান করেন। আদায়কৃত অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকদের দায়িত্ব। তবে সঠিক তথ্য না জেনে সংবাদ প্রকাশ অন্যায়। একজন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ফোন করে কয়টি নৌকা আটক করা হয়েছে জানতে চেয়েছিলেন কিন্তু সে সময় আমার কাছে জব্দকৃত নৌকার তালিকা না থাকায় সঠিক তথ্য দিতে পারিনি। আমি বলেছিলাম বিষয়টি খোজঁনিয়ে আপনাকে জানাব কিন্তু সাংবাদিক ভাইদের বুঝা উচিৎ ছিল পুলিশ সদস্যরা যখন অভিযান পরিচালনা করে নৌকা আটক করেন তখন একটি সঠিক জব্দ তালিকা তৈরি করতে সময়ের প্রয়োজন হয়।  তিনি বলেন পুলিশকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সেটি সত্য নয়। সঠিক তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের আহবান জানান। ##

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন