1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. stvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কবি আবদুন নূর’র ২য় কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন আন্তর্জাতিক সেবা দিতে ডুবাইতেও যাত্রা করলো এস. আল-মদিনা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল সিলেটের কিন ব্রিজের পাশে আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হবে-সিলেটে পররাষ্ট্র মন্ত্রী আইডিইবি সিলেট জেলা শাখার কমিটি গঠন মসরুর সভাপতি, রফিক সাধারণ সম্পাদক হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথি সোসাইটির ৮ম বর্ষপূর্তি ও সংবর্ধনা সিলেট গোলাপগঞ্জে ছাত্রলীগের সিভি সংগ্রহ, উচ্ছসিত নেতাকর্মীরা সিলেট কুমারগাঁও-বিমানবন্দর সড়কে ফোর লেন কাজের উদ্বোধন করলেন-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বিটিবিতে গান গাইবেন সংগীত শিল্পী আফতাব জুড়ীতে চলন্ত গাড়িতে হঠাৎ আগুন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সিলেট বিভাগের সমন্বয়কের দায়িত্ব পেলেন জিসান ও আলেক

ধর্মপাশা উপজেলা প্রকৌশলীসহ স্টাফদের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name
  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

 

ধর্মপাশা প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী আরিফ উল্লাহ খান ও হিসাব সহকারী মঞ্জু হোসেন মন্ডলের বিরুদ্ধে ঘুষ, দূর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতাসহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের চকিয়াচাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি এমএমএ রেজা পহেল এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এলজিইডির অধীনে উপজেলার যে কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমের বিল উত্তোলন করতে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে ৫ থেকে ১০ শতাংশ হারে ঘুষ দিতে হয়। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে রেজুলেশনকৃত ‘হিজলা সড়ক থেকে মতিউর রহমানের বাড়ি পর্যন্ত’ প্রকল্পের বরাদ্দ ২ লাখ টাকা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিকে (পিআইসি) দিয়ে ৩ লাখ টাকার কাজ করিয়ে নেয় প্রকৌশলী। পরে এ প্রকল্পের বিপরীতে ৫০ হাজার বিনিময়ে ২ লাখ টাকা পরিশোধ করতে চায় প্রকৌশলী। পিআইসি ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ায় আর বিল দেওয়া হয়নি তাদের (পিআইসি)। ২০২০-২১ অর্থ বছরে এডিপি থেকে বরাদ্দকৃত ২৪, ২৬, ২৭ ও ২৮ নম্বর প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উপজেলা উন্নয়ন তহবিল নীতিমালা অনুরসরণ করা হয়নি। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে উপজেলা প্রকৌশলীর টয়লেট নির্মাণ, আইপিএস ক্রয়, ডরমেটরীতে সাবমারজিবল পাম্প লাগানো, উপজেলা পরিষদের ইউটিডিসি ভবনের ছাদ ঢালাই, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের অফিস মেরামত, উপজেলা পরিষদের গ্যারেজ নির্মাণ প্রকল্পগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমোদনক্রমে বার্ষিক থোক বরাদ্দের মাধ্যমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত রয়েছে। সেই প্রকল্পগুলো নামমাত্র কাজ করে এডিপি অর্থ দ্বারা করা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাইকুরাটি মা ও শিশু হাসপাতালে আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে হাসপাতালের কোনো কাজ না করে বাইরে ৫০ হাজার টাকার কাজ করে বাকি টাকা পাইকুরাটি ইউপি চেয়ারম্যানকে নিয়ে প্রকৌশলী ভাগ করে নেয়। চকিয়াচাপুর গ্রামের সামনে গাইডওয়ালের নির্মাণ কাজ শেষ না হলেও ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে ঠিকাদারকে বিল দেওয়া হয়েছে। দাসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশবøক ও বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের কাজ নিম্বমানের হলেও ঘুষের বিনিময়ে ঠিকাদারকে বিল দেওয়া হয়েছে। নোয়াধার মাদ্রাসার সামনে থেকে চকিয়াচাপুর রাস্তার আরসিসি ঢালাই নি¤œমানের হওয়ায় কাজ শেষ হতে না হতেই ভেঙে গেছে। এমনটি রাস্তার দুই পাশে মাটি দেওয়া হয়নি। এ প্রকল্পেও ঘুষ নিয়ে ঠিকাদারকে বিল দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ধর্মপাশা বাজারে ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় অপরিকল্পিতভাবে নি¤œমানের উপকরণ দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করায় তা ভেঙে যাচ্ছে এবং জনসাধারণের দুর্ভোগ বেড়েছে। আর এ কাজে প্রকৌশলীকে সহযোগীতা করেন ওই কার্যালয়ের হিসাব সহকারী মঞ্জু হোসেন মন্ডল। এছাড়াও মঞ্জু হোসেন মন্ডলের বিরুদ্ধে টিউবওয়েল দেওয়ার নাম করে এক নারীর কাছ থেকে ৮ হাজার ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে অপর এক নারীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এমএমএ রেজা পহেল বলেন, এ ব্যাপারে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সরকার ও এলজিইডি মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, বিভাগী কমিশনার, জেলা প্রশাসক, নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ করেছি। অভিযোগের তদন্ত করলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে।
উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. আরিফ উল্লাহ খান বলেন, প্রকল্পের কাজ না করে অভিযোগকারী বিল নিতে চেয়েছিলেন। আমরা তা দিইনি। তাই তিনি অভিযোগ করেছেন। যে সমস্ত বিষয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন তা সত্য নয়, ভূয়া।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনতাসির হাসান বলেন,  লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন