1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. stvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন

দুই রোহিঙ্গাকে জন্মসনদ ইস্যু মামলা থেকে পৌর মেয়রসহ চারজনকে অব্যাহতি

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৯২ বার পড়া হয়েছে

প্রতারণার মাধ্যমে দুই রোহিঙ্গা নাগরিকের পাসপোর্ট করার চেষ্টা মামলায় অব্যাহতি পেয়েছেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখতসহ এজহার নামীয় আরো চারজন। রবিবার সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কুদরত-এ-ইলাহী ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ ধারা মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে মামলায় জড়িত থাকার তথ্য ও উপাত্ত না পাওয়ায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার জননন্দিত দুইবারের নির্বাচিত মেয়র নাদের বখতসহ ৪জনকে মামলা থেকে অব্যাহতির নির্দেশ দিয়েছেন। খবরটি নিশ্চিত করেন পৌর মেয়র নাদের বখতের আইনজীবী ও সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম সেপু। মামলা সূত্রে জানাযায়, ২০১৯ সালের ৪ঠা এপ্রিল সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে বাংলাদেশী পাসপোর্ট করতে আসেন এক নারীসহ দুই রোহিঙ্গা নাগরিক। তারা টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে সুনামগঞ্জের চার দালালের সহযোগিতায় আসেন সুনামগঞ্জে এবং তাদের নামে বাংলাদেশী পাসপোর্ট ইস্যূ করে দেয়ার চুক্তি করেন। দালালরা সবাই সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। ঘটনার দিন সকালে পাসপোর্ট করতে নিয়ে গেলে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন এবং বিকেলে আবার ছবি তোলা ও আঙুলের ছাপ দিতে পাসপোর্ট কার্যালয়ে নিয়ে যান চার দালাল। পাসপোর্টের আবেদনকারীদের কথাবার্তায় সন্দেহ দেখা দিলে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা পুলিশে খবর দেন এবং চার দালালসহ তাদেরকে পুলিশে সোর্পদ করা হয়। এ সময় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে জামালগঞ্জ উপজেলার তেরানগর গ্রামের মো.ফরহাদ আহমদ (৩৬), রামনগর গ্রামের মো. নূর হোসেন (২৩), সুজাতপুর গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন (২৪) ও আমির উদ্দিনকে (২৩) আসামি করে সুনামগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা রুজু করেন সদর থানার এসআই জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার বাদী হয়ে। বর্তমানে আসামিরা জামিনে আছেন। এর আগে ওই দুই রোহিঙ্গা নাগরিককে সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আলীপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে স্থানীয় কাউন্সিলর হোসেন আহমদ রাসেলের সুপারিশের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ পৌরসভা থেকে তাদের নামে জন্ম সনদ ইস্যু করেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, দুই রোহিঙ্গা নাগরিকের জন্ম সনদ প্রদান প্রক্রিয়ায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরসহ কর্মকর্তারা আছেন। পরে আইনজীবী কাওসার আলম সেটি সত্যায়ন করেছেন। গত ২১ অক্টোবর সদর থানার এসআই মামলাটি দীর্ঘ সময় পর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। চুড়ান্ত প্রতিবেদনে এজাহারভুক্ত চার আসামি ছাড়াও সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হোসেন আহমদ রাসেল, পৌরসভার সহকারী কর আদায়কারী পীযুষ কান্তি তালুকদার, পৌরসভার জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধক ও স্যানিটারি পরিদর্শক মো. সেলিম উদ্দিন, পৌরসভার মেয়র নাদের বখত ও সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও নোটারী পাবলিক এড. কাওসার আলমকে সংযুক্ত করা হয়। সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত এর আইনজীবী নজরুল ইসলাম সেপু জানান, যে ঘটনায় মেয়র নাদের বখতকে মামলায় জড়ানো হয়েছে, সেটির সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না। চার্জশিটে অভিযোগ গঠন না হওয়ায় আদালত তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন