1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. satvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
  •                          

হাওরাঞ্চলের কথা ইপেপার

ব্রেকিং নিউজ
চরমহল্লা আইডিয়াল স্কুলের ১০৯ জন শিক্ষার্থীকে রক্তের গ্রুপ জানিয়ে দিয়েছে বাঁধন সুনামগঞ্জ সদরের টুকের বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কমিটি সম্পূর্ণ সিসিকে মেয়র প্রার্থী হওয়া মোশতাক গ্রেফতার শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া চা শ্রমিক সন্তানদের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে এফআইভিডিবি সুনামগঞ্জে ভাবীকে কুপিয়ে হত্যার ‍নায়ক আইনুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ সহিংসতা করে কেউ পার পাবে না : ইসি আলমগীর তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ কাল গাজায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে ডয়েচে ভেলেকে তথ্যচিত্র তৈরির আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী-সন্তানসহ বেনজীরকে দুদকে তলব ক্রিকেট: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল

চলতি মৌসুমে বর্ষা এলেও হাকালুকি হাওরে পর্যাপ্ত পানি নেই

Reporter Name
  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর বর্ষা মৌসুমে থইথই পানিতে পূর্ণ থাকে। এবারের চিত্র ভিন্ন। বর্ষা এলেও এখনও হাকালুকি হাওরে পর্যাপ্ত পানি নেই। হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮ হাজার ১১৫ হেক্টর। হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত। হাকালুকি হাওরের শতকরা ৪০ ভাগ বড়লেখা, ৩০ ভাগ কুলাউড়া, ১৫ ভাগ ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০ ভাগ গোলাপগঞ্জ ও ৫ ভাগ বিয়ানীবাজার উপজেলায় পড়েছে।

চলতি মৌসুমে হাওরের কুলাউড়া এলাকায় পর্যাপ্ত পানি নেই। হাওরের এমন অবস্থা কয়েক যুগেও দেখেননি বলে জানান স্থানীয়রা। এমন অবস্থায় মাছের বংশবৃদ্ধি ও প্রজননে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে জনিয়েছেন মৎস্যবিদরা। পর্যাপ্ত পানি না থাকায় হুমকিতে পড়তে পারে হাওরের মৎস্যসম্পদ ও জলজ উদ্ভিদ।

অন্যান্য বছর বৈশাখ মাস থেকে খাল-বিল ভরে হাওরজুড়ে পানি থাকে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, এর আগে হাকালুকি হাওরে কোনো বছর এমন সময় পানিশূন্য দেখা যায়নি। হাকালুকি হাওরে মাছ ধরে অনেক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। অনেক মৎস্যজীবী মুক্ত জলাশয়ে মাছ ধরে সংসার চালান। কিন্তু এবার এখনও হাওরের খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় তারা মাছ ধরে বিক্রি করতে পারছেন না।

উপজেলার সাদীপুর গ্রামের মৎস্যজীবী আলমাছ মিয়া বলেন, ‘মাছ ধরে আমি সংসার চালাই। প্রতিবছর এমন সময় হাওরে মাছ ধরায় ব্যস্ত সময় পার করি। এবার পানি নেই। ফলে মাছ ধরে বিক্রি করতে পারছি না।’পানি না থাকায় মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের জলজ ভাসমান উদ্ভিদ, শিকড়ধারী উদ্ভিদ, অতিরিক্ত জলসহিষ্ণু উদ্ভিদসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ কমার আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই যুগ আগেও হাকালুকি হাওরে ১১০ প্রজাতির দেশীয় মাছ ছিল, যা গত কয়েক বছরে এখন ৫০ প্রজাতির নিচে নেমে গেছে। হাওর থেকে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে মরায়েক, গাঙ মাগুর, রিটা, নানিদ, বাঘাড়, চিতল, রাণী মাছ, এলংসহ কয়েক প্রজাতি সুস্বাদু মাছ। এ ছাড়াও হাওরের মাখনা, পদ্ম, সিঙরা, শাপলা, বনতুলসী, নলখাগড়া, হেলেঞ্চা, বল্লুয়া, চাল্লিয়াসহ শতাধিক প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ ছিল। এসব উদ্ভিদ এখন বিলুপ্তপ্রায়। এ বছর পর্যাপ্ত পানি না থাকায় এর প্রভাব আরও বড় আকারে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

জলবায়ু পরিবর্তন হওয়ার ফলে এমনটি হচ্ছে বলে মনে করেন সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজের আঞ্চলিক কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এমনটা ঘটছে। হাওরে সময়মতো পানি না থাকলে ব্যাঘাত ঘটবে হাওরের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবন-জীবিকায়। মাছের উৎপাদন ও উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।কুলাউড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু মাসুদ বলেন, চলতি মৌসুমে হাওরে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় মাছের উৎপাদন কমে যেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন