1. mdjoy.jnu@gmail.com : admin : Shah Zoy
  2. stvsunamgonj@gmail.com : Admin. :
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১০:৩০ অপরাহ্ন

উত্তর বড়দল ইউনিয়নে ভিজিডি’র সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা নেয়ার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২
  • ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

উত্তর বড়দল ইউনিয়নে ভিজিডি’র সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা নেয়ার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। সরকার কর্তৃক উত্তর বড়দল ইউনিয়নের ৩৭৫ জন সুবিধাভোগীদের মাঝে মাসিক ২০০ টাকা সঞ্চয়ের বিধান করে প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে চাল দেয়ার কার্যক্রম রয়েছে। দ্রব্যমুল্যের উর্দ্ধগতির মধ্যে মাসে ২শ টাকা জমা দিয়ে ৩০ কেজি চাল পেয়ে সুখে শান্তিতে থাকলেও উত্তর বড়দল ইউনিয়নের সচিব এখলাছ উদ্দিনের নামে বরাদ্দকৃত সাড়ে ১১টন চালের ডিও’র ৩৭৫ জন সুবিধা ভোগীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০টাকা করে আদায় করায় বিপাকে পড়েছে দরিদ্র মানুষগুলো। ৫০ টাকা না থাকায় অনেকে বাড়ীতে ফিরে টাকা নিয়ে চাল নিতে হয়েছে। রবিবার ও সোমবার এ ঘটনাটি ঘটে উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে। পরিষদের সচিবের কাছ জানতে চাইলে তিনি পরিবহন ব্যয় বাবদ ৫০ টাকা অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে বলে স্বীকার করেন। অথচ এই পরিবহনের টাকা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মিঠানো হয়ে থাকে। বারহাল গ্রামের হোসনে আরা বেগম জানান, প্রতি মাসে ২শ টাকা করে সঞ্চয় জমা দিয়ে আমরা ৩০ কেজি চাল পেতাম কিন্তু আজকে ইউনিয়নের সচিব স্যার অতিরিক্ত ৫০ টাকা না দেয়ায় চাল দেয়নি। পরে বাড়ী থেকে ৫০ টাকা নিয়ে চাল নিয়ে আসি। মমতা বেগম নামে এক নারী জানান, আমরা সব সময়ই ২শ টাকা করে জমা দিয়ে ছয় ফারি (৩০ কেজি) চাল নিতাম কিন্তু গত রবিবারে ২শ টাকা নিয়ে গেলে সচিব সাব আমাদের চাল দেয়নি। পরে বাড়ীতে এসে ৫০ টাকা যোগাড় করে আজকে আড়াইশ টাকা দিয়ে চাল নিয়ে আসছি। এই ৫০ টাকা দেয়া আমাদের পক্ষে খুবই কষ্ট কর হয়ে পড়েছে। চেয়ারম্যান মেম্বারদের সামনেই সচিব আমাদেরকে কাছে অতিরিক্ত ৫০ টাকা দাবী করছে।
উত্তর বড়দল ইউনিয়ন সচিব এখলাছ উদ্দিন ৫০ টাকা অতিরিক্ত নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, পরিবহণ খরচ বেশী হওয়ায় ৫০টাকা করে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নেয়া হচ্ছে।
উত্তর বড়দল ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া জানান, পরিবহন খরচ ব্যয় মিঠানোর জন্য ৫০টাকা করে নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিক করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না।
তাহিরপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভিজিডি’র পরিবহরণ ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রতি বছরই একটা খরচ হিসাব করে দেয়া হয় সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের। মাসে মাসে টাকা খরচ হয় তা চেয়ারম্যান মেম্বারদের পকেট থেকে পরিশোধ করে থাকেন।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রায়হান কবির জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। ভিজিডি’র চাল বিতরণে ২শ টাকা হারে সঞ্চয় রাখা হয় কিন্তু পরিবহণ খরচ মিঠানোর জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। কোন পরিষদ বা চেয়ারম্যান অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন