Categories
জাতীয় ধর্ম ফিচার রাজনীতি সিলেট বিভাগ হাওরাঞ্চলের কথা

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক ও আইনজীবী বজলুল মজিদ খসরু

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের প্রখ্যাত আইনজীবী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাংবাদিক ও হাওর বাচাঁও সুনামগঞ্জ বাচাঁও আন্দোলনের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার বাদ জোহর সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মুখে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে শহরের ষোলঘর জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে তৃতীয় নামাজে জানাযা শেষে ষোলঘর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তারঁ জানাজায় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের এমপি মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ পৌর মেয়র নাদের বখত, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী। এর আগে তার কর্মস্থল সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সম্মুখে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি গত বুধবার দুপুরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি সুনামগঞ্জ শহরের একজন পরিচিত ও প্রতিবাদী মানুষ ছিলেন

Categories
জাতীয় ফিচার শিল্প সাহিত্য সিলেট বিভাগ হাওরাঞ্চলের কথা

চলে গেলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী সাংবাদিক বজলুল মজিদ খসরু

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জ এর বিশিষ্ট আইনজীবী, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাহিত্যিক, লেখক গবেষক, সাংবাদিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু আর নেই বুধবার দুপুর ৩টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ইন্তেকাল করেনইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, ভাই, বোনসহ অসংখ্য আতœীয় স্বজন রেখে গেছেন পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে শারীরিকভাবে অসুস্থবোধ করলে বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুকে আতœীয় স্বজনরা তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান পরে হাসপাতালেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন বজলুল মজিদ খসরু মৃত্যুর খবর  ছড়িয়ে পড়লে শহরের বিশিষ্টজনসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ এক নজর দেখার জন্য তাঁর ষোলঘরস্থ বাসভবনে ভীড় জমাচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরুর গ্রামের বাড়ি দোয়ারাবাজার উপজেলায় তাঁর মৃত্যুতে পরিকল্পনামন্ত্রী এম মান্নান, সদর আসনের এমপি পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, জেলা আইনজীবী সমিতি, সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব, সুনামগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম, সুনামগঞ্জ রিপোর্টার ইউনিটিসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তার মরদেহ জেলা আইনজীবী সমিতির প্রাঙ্গনে প্রথম নামাজে জানাযা করা হবে পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসাধারনের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে পরবর্তীতে সুনামগঞ্জ পৌরসভায় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ষোলঘর জামে মসজিদের সম্মুখে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে

বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু সংক্ষিপ্ত কর্মজীবন১৯৫২ সালে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘরে জন্ম গ্রহন করেন তিনি সুনামগঞ্জ সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাশ করেন এবং ১৯৬৯ সালে এইচএসসিতে পড়াবস্থায় তিনি যুগভেরী পত্রিকায় সাংবাদিকতা পেশায় যোগদান করেন ৭০ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে দেশকে স্বাধীন করেন স্বাধীনতা সংগ্রামের পর তিনি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন পরবর্তীতে তিনি দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করাবস্থায় পূর্বদেশ বন্ধ হয়ে যায় সাংবাদিকতা পেশার পাশাপাশি তিনি সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে এলএলবি ডিগ্রী লাভ করেন ১৯৭৫ সালে তিনি জার্মান চলে যান ১৯৮৩ সালে তিনি দেশে ফিরে আবার সাংবাদিকতা পেশায় যোগদান করেন ১৯৮৪ সালে তিনি দৈনিক কিষানের সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত হন এবং ১৯৮৪ সালে তিনি সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন সুনামগঞ্জ মহকুমা থেকে জেলায় উন্নতি হওয়ার প্রথম দিন থেকেই তিনি সাপ্তাহিক সুনাম পত্রিকা প্রকাশনা শুরু করেন ১৯৯১ সালে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক, ২০০০ সালে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন ছাড়াও তিনি রাইফেলস ক্লাবের সম্পাদক, জগৎজ্যোতি পাঠাগারের সম্পাদক,  শিল্পকলা একাডেমীর যুগ্ম সম্পাদক, জেলা জজ কোর্টের পিপি হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্বপালন করেছেন ১৯৯৬ সালে দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুরে মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন হেলাল খসরু উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন

Normal
0

false
false
false

EN-US
X-NONE
X-NONE

/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin-top:0in;
mso-para-margin-right:0in;
mso-para-margin-bottom:10.0pt;
mso-para-margin-left:0in;
line-height:115%;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:”Calibri”,”sans-serif”;
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-fareast-font-family:”Times New Roman”;
mso-fareast-theme-font:minor-fareast;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;}

Categories
ফিচার হাওরাঞ্চলের কথা

মুমুর্ষ আকলাবুননেছার পাশে মানবিক সেবা সংঘ

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের মানবিক যুবকদের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন মানবিক সেবা সংঘ।

এই সংঘের যুবকরা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায়, দরিদ্র, দুস্থ ও মুমুর্ষ মানুষকে খুজেঁ বের করে আর্থিকসহায়তাসহ চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে দীর্ঘ দিন ধরেই। গত ৪ দিন পূর্বে লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের হবতপুর গ্রামের স্বামীর পরিত্যক্ত, অসহায় ও মুমুর্ষ আকলাবুননেছাকে চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছে। সে লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের হবতপুর গ্রামের মাহমুদ আলীর কন্যা। সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী একরামুল হক সেলিম জানান, আমরা লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে ব্যক্তিগত অর্থায়নে বিগত ৪ বছর ধরে কাজ করে আসছি।

সমাজের অসহায়,দরিদ্র, হতদরিদ্র, দুস্থ্য ও মুমুর্ষ রোগীদের সহায়তা করে আসছি। গত ৪ দিন পূর্বে আমাদের হবতপুর গ্রামের মাহমুদ আলীর কন্যা স্বামী পরিত্যাক্ত আকলাবুন নেছা দীর্ঘ দিন যাবৎ নানান রোগে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে আসছে খবর পেয়ে আমাদের সংগঠনের সবাইকে নিয়ে মিটিং করে বিষয়টি অবগত করি এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মুমুর্ষ আকলাবুননেছাকে রাতেই সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসি এবং তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয়ভার আমরা নিজেরাই বহন করছি।

হাসপাতালের ডাক্তার জানিয়েছেন তার শরীরের অন্তত ৬ ব্যাগ রক্ত লাগবে। আমাদের সদস্যদের পক্ষ থেকে আজকে তাকে এক ব্যাগ রক্তদান করি। আরও ৫ ব্যাগ রক্ত দিতে হবে। আমরা সবাই প্রস্তুত আছি রক্ত দিতে। কারণ মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। আমরা চাই আমাদের প্রতিটি এলাকায় এভাবে যুবকরা অসহায় দরিদ্র ও দুস্থদের পাশে দাড়ালে কোন মানুষই বিনাচিকিৎসায় মারা যাবে না।

বুধবার দুপুরে সদর হাসপাতালের ৬ষ্ট তলায় নারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আকলাবুননেছাকে দেখতে গেলে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি ফয়জুল ইসলাম , সহ-সভাপতি আলিম উদ্দিন লিমন, দিলোয়ার হোসেন, আরব আলী সাহার, সদস্য সামসুল হক (সৌদিপ্রবাসী), অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আনোয়ার হোসেন, আল আমিন, সিদ্দিকুর রহমান, সেলিম আহমদ, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ফয়েজ আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, এসকে আমিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের আরওএম ডা: রফিকুল ইসলাম জানান, মানবিক সেব সংঘের কর্মীরা একটি অসহায় ও দুস্থ মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। তারা দিনরাত পরিশ্রম করছেন এবং আমাদের সাথে বার বার যোগাযোগ রাখছেন। হাসপাতালের পক্ষ থেকে যা যা করনীয় তাই করা হচ্ছে। বর্তমানে মেয়েটি সুস্থ্য হওয়ার পথে রয়েছে।

Categories
ফিচার সারাদেশ

অবশেষে সন্ত্রাসী সোহেল জেল হাজতে

স্টাফ রিপোর্টার:

অবশেষে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আরপিন নগর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেলকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয় বিচারক। আদালত সুত্রে জানা যায়, দক্ষিন আরপিননগর মহল্লার ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিনকে গত ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকাল অনুমান ৫টায় সন্ত্রাসী সোহেল দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে পর পর তিনটি গাই মেরে মারাত্মক জখম করেছিল।

তারই জের ধরে সুনামগঞ্জ সদর থানায় নিজামের ছোট ভাই সাংবাদিক মিজানুর রহমান রুমান বাদী হয়ে মামলা রুজু করে। মামলা দায়েরের পর চতুর সন্ত্রাসী সোহেল আদালতকে ভুল বুঝিয়ে সাময়িক জামিন লাভ করে। জামিন পেয়ে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠে বেপরোয়া সোহেল।

পরবর্তীতে জেলা পুলিশের কর্ণদার মানবিক পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় সদর থানার ওসি মো: সহিদুর রহমানের পরামর্শে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার জখমী নিজাম উদ্দিনের মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করায় আদালত সন্ত্রাসী সোহেলের জামিন বাতিল করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী মিজানুর রহমান রুমান জানান, সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান স্যারসহ পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঠিক তৎপরতার কারণে আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। সে জন্য আমি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর সেলিম নেওয়াজ আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Categories
জাতীয় ফিচার সম্পর্ক সিলেট বিভাগ

সুনামগঞ্জে ৫৪ পরিবারকে ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক জাকির হোসেন

স্টাফ রিপোটারঃ
সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলায় স্বামীকে কারাগার না পাঠিয়ে ফুল হাতে দিয়ে পৃথক ৫৪ টি মামলা আপোষ নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মোঃ জাকির হোসেন।
তবে ১১টি মামলায় আপষ না মানায় স্বামীদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার  সোমবার দুপুর ৬৫ টি পৃথক মামলার একসঙ্গে দেওয়া রায় সুনামগঞ্জ’র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক মো. জাকির হোসেন এই আদেশ দেন। আদেশ ঘোষনার পর স্বামী স্ত্রীকে আদালত থেকে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতের পিপি অ্যাডভাকট নাটু রায়। রায় ঘাষণার পর আদালতের পক্ষ থেকে ৫৪ দম্পতিকে ফুল দিয় বরণ করা হয়েছে।
আদালত সূত্র জানা যায়,যৌতুক, নারী নির্যাতনসহ বিভিন কারণে নির্যাতনের শিকার হয়ে সুনামগঞ্জ যেলার বিভিন্ন উপজেলার ৬৫ জন নারী স্বামীর সংসার থেকে তাড়িয়ে দেয়ার কারণে নির্যাতিতরা তাদের স্বামীর বিরুদ্ধে পৃথক পৃথকভাবে আদালতে মামলা করেছিলেন। দীর্ঘদিন এসব মামলার বিচার কাজ চলমান ছিল। নির্যাতনর শিকার হয় নারীরা তাদের ছোট ছোট  শিশুদের নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে অনিশ্চিত এক জীবন যুদ্ধ চালিয় যাচ্ছিলেন। অনিশ্চিত জীবন থেকে ৫৪ স্ত্রী তাদের স্বামীর এবং সন্তানেরা তাদের যার যার বাবার পারিবারিক বলয়ে আবদ্ধ করে ব্যতিক্রমী আপোষের রায় দিলেন বিচারক।
বিচারক উভয় পক্ষর বক্তব্য শুনে তাঁদের সন্তানদের এবং তাঁদের মঙ্গলের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্য আগামীর দাম্পত্য জীবন সম্প্রীতির বন্ধন নতুনভাবে সৃষ্টি করে দিতে এই  ৫৪ টি দম্পতিকে পারিবারিক পূনঃমিলনর ব্যবস্থাকরে দিলেন।
বাকি ১১টি পরিবারকে একত্রিত করতে সক্ষম না হওয়ায় এবং নির্যাতিত স্ত্রী ও তাঁদের স্বাক্ষীরা স্বামীর বিরুদ্ধ সাক্ষ্য দেওয়ায় এবং স্বামীদের বিরুদ্ধে অভিযাগ প্রমাণিত হওয়ায় ১১ স্বামীক বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
আপোষ নিষ্পত্তিকৃত মামলার বাদী-বিবাদী পক্ষর স্বজনদের দাবি, সংসার থেকে বিতাড়িত ছোট ছোট  সন্তানাদি নিয়ে ওই নারীদের জীবন ছিল চরম দুর্দশাগ্রস্ত।
এসব দুঃখ বেদনা আর দীর্ঘশ্বাস আদালত অঙ্গণ ভারি থাকত।
শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে এই রায়ে ৫৪টি পরিবারকে বিশৃঙ্খলার বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে দিলেন।।
কারণ এসব মামলার সুষ্ঠু নিষ্পত্তি না হলে ছোট ছোট শিশুরা পরিবার থেকে বিছিন্ন হয়ে অযত্নে অবহলায় বেড়ে ওঠা ভবিষ্যৎ অন্ধকার নিপতিত হত।
এই রায় অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভাকট নাটু রায় জানান,‘আদালত পথক ৬৫ টি নারী-শিশু নির্যাতন দমন মামলার রায় প্রাদন করেছেন। ১১ টি মামলায় ১১ জন স্বামীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে এবং বাকি ৫৪টি মামলায় স্বামী-স্ত্রীকে আপোষের মাধ্যমে নিস্পত্তি করে দিয়েছেন। এর আগেও এই বিজ্ঞ বিচারক তিনি যুগান্তকারী রায় দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।
এভাবে যদি বিচারকার্য চলে এবং মামলার নিস্পত্তি হয় তাহলে বিচার ব্যবস্থস্র উন্নতি হবে এবং বিচারপ্রার্থী জনগণ তাদের সুবিচার পাবেন বলে তিনি আশাবাদ জানান।
উল্লেখ্য গত বছরর ২৫ নভম্বর একই আদালতর বিচারক মা.জাকির হাসন একদিন পথক ৪৭ টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলায় ৪৭টি পরিবারক আপাষর মাধ্যম তাঁদর স্বাভাবিক জীবন ফরত পাঠাত সক্ষম হয়ছিলন। এনিয় মাট ১০১ টি পরিবার ধংসর হাত থক রক্ষা হল।
Categories
রাজনীতি সারাদেশ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিশ্বম্ভরপুরে আ’লীগের বিশাল জনসমাবেশ

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি:

বিশ্বম্ভরপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে অণুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি বেনজির আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মতিউর রহমান। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগে ঐক্যের বিকল্প নেই। চতুর্দিকে আওয়াীলীগের শত্রুরা ঘোর ঘোর করছে। অতএব, আওয়ামীলীগ ঐক্য সব শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য তাগিদ প্রদান করেন।

তিনি আরো বলেন, আল জাজিরা টিভি চ্যানেল শেখ হাসিনা ও দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে ষঢ়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। আল জাজিরার বিরুদ্ধে প্রথম হাইকোর্টে রিট করেছে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এনামুল কবির ইমন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম.এনামুল কবির ইমন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি রেজাউল করিম শামীম, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হায়দার চৌধুরী লিটন, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নান্টু রায়, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোবারক হোসেন, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, দিরাই পৌরসভার চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ রায়, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, ধনপুর ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী কালাচান, ফতেপুর ইউপি আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক প্রসূন কান্তি দাস, উপজেলা কৃষক লীগ আহবায়ক হুমায়ুন কবির মৃধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মোশারফ হোসেন বাবলু, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ সভাপতি সেলিম আহমদ মিটু, উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি হুমায়ূন কবির পাপন, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল প্রমূখ।

Categories
ফিচার রাজনীতি হাওরাঞ্চলের কথা

টাকা ও সময়ের অপচয় রোধ করতে হবে-পরিকল্পনামন্ত্রী

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের টাকার কোনো অভাব নেই। আমরা টাকা বরাদ্দ দেব সংশ্লিষ্টদের ভালো কাজ করতে হবে। টাকা ও সময়ের অপচয় রোধ করতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে জগন্নাথপুর উপজেলায় সিলেট বিভাগের দীর্ঘ রানীগঞ্জ সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনকালে উপরোক্ত কথা বলেন। পরিকল্পনামন্ত্রী করোনা পরিস্থিতির কারণে সেতুর নির্মাণ কাজ পিছিয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্থিতি দেশের উন্নয়নকে পিছিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু আমরা এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছি। ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করে সুনামগঞ্জের সাথে রাজধানীর স্বল্প সময়ে সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, একটি মহল দেশের সার্বিক উন্নয়নকে পছন্দ না করে উন্নয়ন নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়ায়। তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।

এ সময় সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে পাগলা জগন্নাথপুর আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের কুশিয়ারা নদীর ওপর ৭০২.৩২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০.২৫ মিটার প্রস্ত সেতুর কাজ শুরু হয়। ৩০ জুন ২০১৮ সালে সেতুর কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখনো সেতুর কাজ শেষ হয়নি। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Categories
ফিচার

মাছের উৎপাদন বাড়াতে জলমহাল পুন:খনন জরুরী-জেলা প্রশাসক

স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জ জেলার যে সকল জলাশয় গুলোতে পলিমাটি পড়ে ভরাট হয়ে গেছে সেগুলো যদি পুন:খনন করা যায় তাহলে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়বে।

মৎস্য ভান্ডার হিসেবে সুনামগঞ্জের নাম দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়বে। মাছের উৎপাদন বাড়াতে অবশ্যই জেলার নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়গুলো পুন:খনন করা জরুরী। শাহ পাথারিয়া জলাশয় পুন: খনন করায় বোরো ফসলের ব্যাপক উপকার হবে সেই সাথে এলাকার লোকজনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে “জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প (২য় সংশোধিত) এর আওতায় শাহ পাথারিয়া গ্রুপ জলমহাল পুন: খনন (অংশ ০১) এর শুভ উদ্ধোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এসব কথা বলেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খাইরুল হুদা চপল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার রুমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা খেয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য কর্মকর্তা সীমা রাণী বিশ্বাস প্রমুখ।

Categories
আন্তর্জাতিক জাতীয় প্রবাস ফিচার রাজনীতি হাওরাঞ্চলের কথা

আলজাজিরার প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ৪ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন

হাওরাঞ্চল ডেস্কঃ আল জাজিরায় তথ্যচিত্রের মূল চরিত্র জুলকার নাইন ওরফে সামিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আাশেক ইমামের আদালতে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক মামলার আবেদন করেন।

মামলার আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে চ্যানেল আল-জাজিরার এডিটর জেনারেল মোস্তফা সরওয়া, নেত্রা নিউজের এডিটর ইন চিফ তাসমিম খলিল ও সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান এর বিরুদ্ধে।

মশিউর মালেক আবেদনে উল্লেখ্য করেন, ‘অল দ্য প্রাইম মিনিসটারস মেন’ শিরোনামে প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে সম্মানহানির বক্তব্য দিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে আল জাজিরা। অবৈধভাবে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছে, যা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান, দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের আইনের ১২৪, ১২৪এ, ১৪৯, ৩৪ ধারায় মামলার আবেদন দিয়েছি। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আবেদনটি আদেশের জন্য রেখেছেন।

Categories
ফিচার

ফাগুনে আগুন লেগেছে শিমুলবাগানে

 

তাহিরপুর প্রতিনিধি:

এসে গেছে শীতের বিদায়ী বার্তা, গাছে গাছে পলাশ ও আমের মুকুলের আগমনে প্রকৃতিতে আগমন ঘটেছে ঋতুরাজ বসন্তের। ফাগুনে আগুন লেগেছে  হাওর বেষ্টিত এলাকার অন্যতম পর্যটন স্পট তাহিরপুর উপজেলার লালগালিচার কেন্দ্রস্থল শিমুল বাগানে।’

উল্লেখ্য-গত বছর করোনা ভাইরাসের থাবায় থমকে যায় দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের ভিড়, তবে এই বছর ঋতুরাজ বসন্তের আগমনের আগেই সারাদেশে করোনা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন সেবাদান চলমান। সবশেষে করোনার প্রাদুর্ভাব স্থিতিশীলও রয়েছে। সতর্কতার সহিত পর্যটকদের আসার আনাগুনা শুরু হয়েছে পর্যটন কেন্দ্র শিমুল বাগানে।’ রূপের নদী জাদুকাটা নদী তীর ঘেঁষা মানিগাঁও এলাকায় ১০০ বিঘা জমিতে ২০০৩ সালে ৩ হাজারের অধিক সারি সারি বেঁধে শিমুলের চারা শখের বসে রোপন করেন বৃক্ষ-প্রেমিক বাদাঘাট ইউনিয়নের সোহালা গ্রামের প্রয়াত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন।

তার নাম অনুসারে ওই বাগানের নাম করন করা হয়েছে”জয়নাল আবেদীন শিমুল বাগান। এই বাগানের অপার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে দলবেঁধে আসেন দেশের একপ্রান্ত হতে অন্য প্রান্তের ভ্রমন পিয়াসু প্রকৃতি প্রেমিকগনেরা।’ বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে দলবেঁধে ছুটে আসেন স্কুল-কলেজ, ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সকল সেক্টরের প্রকৃতি প্রেমিক মানুষজন।’আবার অনেকেই আসেন শিক্ষা-সফর বনভোজনে। বর্ষাকালে জাদুকাটা নদী হয়ে শিমুল বাগানে নৌ-যোগে ছুটে আসেন পর্যটকগন। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসেও উপছে পড়া বিড় হয় শিমুল বাগানে। নানা বাহারি নতুন পোষাক পরিধান করে সেল্ফিতে মেতে উঠেন বাগানে আসা ভ্রমন পিয়াসুগন।

আপনিও ছুটির দিনে প্রিয়জনদের নিয়ে চলে আসতে পারেন,লাল গালিচার যৌবন-সজ্জিত দৃষ্টিনন্দন জয়নাল আবেদীন শিমুল বাগানে। কথায় আছে যদি মনকে পরিষ্কার অথবা ভালো রাখতে চান তাহলে বেঁচে নিন পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমন, যা আপনার মনকে সজীবতায় সজ্জিত করে নতুন করে চলার প্রেরণা যোগাবে।’ যেভাবে যাবেন- জেলা শহর সুনামগঞ্জ আব্দুর জহুর সেতু হতে আপনার সুবিদার্থে সেএনজি, মোটর সাইকেল, মাইক্রোবাস, লেগুনা দিয়ে লাউড়ের গড়, তারপর সরাসরি মোটর সাইকেল যোগে শিমুল বাগানে চলে আসতে পারবেন।